আরেক রকম ● ত্রয়োদশ বর্ষ দশম সংখ্যা ● ১৬-৩১ মে, ২০২৫ ● ১-১৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩২
প্রবন্ধ
শিবাজীর হিন্দুরাষ্ট্রঃ আচার্য যদুনাথ সরকারের চোখে
রঞ্জন রায়
[যাঁরা আজ ধর্মের সাদাকালো বিভাজনের ভিত্তিতে ভারত ইতিহাসের পুনর্লিখনে ব্যস্ত, তাঁরা দুই বাঙালী ইতিহাসবিদ যদুনাথ সরকার এবং রমেশ চন্দ্র মজুমদারের নাম শুনলে দণ্ডবত হন। তবে তাঁরা সম্ভবত যদুনাথ সরকারকে মন দিয়ে পড়েননি। বর্তমান প্রবন্ধটি ড: সরকারের শিবাজীকে নিয়ে একশ' বছর আগে প্রকাশিত দু'টি বইয়ের, 'Shivaji and his Times' (১৯১৯) এবং 'The House of Shivaji', ভিত্তিতে লেখা। এখানে নিজের মতামত না দিয়ে আচার্য যদুনাথের বক্তব্য উদ্ধৃত করে নির্ণয়ের ভার পাঠকের উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।]
যদুনাথ সরকার প্রাথমিকতা দিয়েছেন শিবাজীর সমসাময়িক লেখাপত্র, দলিল এবং ফার্সি, ওলন্দাজ ও ব্রিটিশ ডকুমেন্টসকে। তিনি লক্ষ্য করেছেন কীভাবে শিবাজীকে নিয়ে মিথ এবং গালগল্পের নির্মাণ দ্রুত বেড়ে উঠেছে, এমনকী বিংশ শতাব্দীতে এই উদ্দেশ্যে জাল দস্তাবেজও তৈরি হয়েছে। (পৃষ্ঠাঃ ৭)।
একই সঙ্গে যদুনাথ সরকার দেখিয়েছেন, লড়াইটা ছিল মূলত ক্ষমতা পাওয়ার এবং ধরে রাখার। ধর্মীয় উপাদান নিশ্চয়ই ক্রিয়াশীল ছিল, কিন্তু মুখ্য নয়। তাই মোগল সম্রাট ঔরঙজেবের প্রধান সেনাপতি ছিলেন হিন্দু রাজা জয় সিং, পরে যশবন্ত সিং। মারাঠাদের এবং মোগলদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিজাপুরের সুলতানের সেনাপতির নাম ভেঙ্কটাদ্রি মুরারী! (পৃষ্ঠাঃ ৩৬৪) আর রাণা রাজ সিং সম্রাট ঔরংজেবের সঙ্গে সখ্য করে নিজের রাজ্যে দিব্যি ছিলেন।
শিবাজী কাজী হায়দারকে তাঁর সচিব নিযুক্ত করেছিলেন। তাঁর প্রধান নৌ সেনাপতি ছিলেন সিদ্দি মিসরি নামের আবিসিনিয় মুসলমান।
আবার শিবাজীর বড়ো ছেলে শম্ভাজী শিবাজীর বিরুদ্ধে মোগল সেনাপতি দিলীর খাঁ'র সঙ্গে যোগ দিলেন। সম্রাট ঔরঙ্গজেব তৎক্ষণাৎ শম্ভাজীকে সাতহাজারী মনসবদার করে তাঁকে একটি হাতি উপঢৌকন পাঠিয়ে দেন। শম্ভাজী মোগল বাহিনীর সঙ্গে গিয়ে শিবাজীর ভূপালগড় দুর্গ তছনছ করেন। এক বছর পরে আবার পিতার কাছে ফিরে আসেন।
বশ্যতা ও বিদ্রোহ
শিবাজী নিজে পুরন্দর দূর্গের যুদ্ধে মোগল সেনাপতি জয় সিংহের কাছে পরাজিত হয়ে শর্ত মেনে মোগল পক্ষে যোগ দিয়ে বড়ো ছেলে এবং কিছু নজরানা নিয়ে ঔরংজেবের দরবারে হাজির হন। কিন্তু যথাযথ সম্মান না পেয়ে দরবার ছেড়ে চলে আসেন, এর কিছুদিন পরে প্রাণদণ্ডের আশংকায় পালিয়ে বিজাপুরে চলে আসেন। সেই হল বিদ্রোহের শুরু। মোগলদের বিরুদ্ধে অনেকবার তিনি বিজাপুরের সুলতানের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন।
সরকার পরিচালনা, সংগঠন এবং নীতি
শিবাজীর সৈন্যরা কৃষকদের থেকে 'চৌথ' আদায় করত। চৌথ হল জমির খাজনার এক চতুর্থাংশ। আচার্য যদুনাথের মতে এটা এক ধরনের 'র্যানসম', কারণ এটার বদলে মারাঠা সৈন্যরা প্রজাদের রক্ষার বা শাসনের দায়িত্ব নিত না। (পৃষ্ঠাঃ ৪০৭)
শিবাজীর ক্ষমতাধীন এলাকায় ছিল ২৪০ কিলা যার মধ্যে ৭৯ ছিল মহীশূর এবং মাদ্রাজে অবস্থিত। শিবাজীর আয় ছিল কাগজপত্রে ৯ কোটি টাকা। বাস্তবে আদায় হতো আরও কম। কখনও এক দশমাংশ, অর্থাৎ ৯০ লক্ষ টাকা। (পৃষ্ঠাঃ ৪০৮)
শিবাজীর সৈন্যবল গোড়ার দিকে ছিল কুড়ি হাজার, এর মধ্যে সাতশো ছিল মুসলমান। শেষ জীবনে তাঁর সৈন্য সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল প্রায় দুই লাখ - মাওয়ালা সম্প্রদায়ের (দলিত জাতি) পদাতিক ছিল এক লক্ষ। (পৃষ্ঠাঃ ৪০৯)
তাঁর রাজ্যে বিচার হত সংস্কৃত আইনের বই 'স্মৃতিশাস্ত্র' অনুসারে। (পৃষ্ঠাঃ ৪১১)
শিবাজীর আট জন সদস্যের মন্ত্রীসভায় তিনিই ছিলেন প্রধান। শাস্ত্রীয় ব্যাপারে তিনি পেশোয়া নির্ভর ছিলেন, নিজে নাক গলাতেন না। আচার্য যদুনাথের মতে তার কারণ তিনি ছিলেন নিরক্ষর এবং জাতে ছোটো। (ঐ) প্রধান সেনাপতি ছাড়া সবাই ছিলেন ব্রাহ্মণ।
যুদ্ধকালীন নিয়ম
• বর্ষার তিনমাস সৈন্যেরা শিবিরে থাকবে। বিজয়া দশমীর দিন থেকে লুন্ঠনে বেরোবে। এভাবেই ওদের খরচা তোলা হবে এবং বাড়তি দ্রব্য ওরা সরকারের খাজানায় জমা করবে।
• কোনো সৈন্য সঙ্গে নারী, দাস অথবা শিশুদের নিয়ে যেতে পারবে না। আদেশ না মানলে মুণ্ডচ্ছেদ করা হবে।
• শুধু পুরুষদের বন্দী করা হবে, মহিলা এবং শিশুদের নয়।
• গাভী লুট করা যাবে না, কিন্তু বলদ বাহন গাড়ি টানতে ব্যবহার করা যাবে।
• ব্রাহ্মণদের অত্যাচার করা চলবে না।
• কোনো সৈনিক যুদ্ধে গেলে মহিলাদের সঙ্গে কদাচার করবে না।
• যুদ্ধে যাওয়ার সময় সৈনিক কী কী জিনিস সঙ্গে নিয়ে যাবে তার অনুমোদিত তালিকা আছে।
• ফিরে আসার পর সবার শরীরের তল্লাসি হবে। আগের তালিকার বেশি কিছু পাওয়া গেলে তার মাইনে থেকে কাটা যাবে। কিছু লুকিয়ে ধরা পড়লে তাকে বন্দী করে শাস্তি দেওয়া হবে।
কর আদায় ও কৃষি
• নতুন কৃষককে বীজ এবং হাল-বলদের জন্য ঋণ দেওয়া হবে যা দুই বা চার বার্ষিক কিস্তিতে আদায় করা হবে।
• জমির মাপ নিয়ে খাজনা নির্ধারণ হবে এবং সেই খাজনা ফসল ওঠার সময় আদায় হবে।
• শিবাজী সরকার এবং কৃষকদের মধ্যে মধ্যসত্ত্বভোগীদের উঠিয়ে দিলেন। কোনো জমিদার, দেশমুখ বা দেশাইয়ের চাষিদের উপর হুকুম চালানোর রাজনৈতিক অধিকার থাকবে না।
শিবাজীর ধর্মীয় নীতি
"Shivaji's religious policy was very liberal. He respected the holy places of all creeds in his raids and made endowments for Hindu temples and Muslim Saint's tombs and mosques alike. He not only granted pensions to Brahmin scholars versed in the Vedas, astronomers and anchorites but also built hermitages and provided subsistence at his own cost for the holy men of Islam, notably Baba Yaqut of Kelshi."
শিবাজীর আধ্যাত্মিক গুরু ছিলেন স্বামী রামদাস। তিনি তাঁর আধ্যাত্মিক গুরু ছিলেন, রাজনৈতিক গুরু নয়। তিনি শিবাজীর হিন্দুরাজ্য স্থাপনের প্রেরণা ছিলেন বলে যে জনশ্রুতি আছে তার পক্ষে কোনো স্পষ্ট সন্দেহাতীত প্রমাণ নেই। (পৃষ্ঠাঃ ৪২২)
রবীন্দ্রনাথের "বসিয়া প্রভাতকালে সেতারার দূর্গভালে" - কবিতাটি জনশ্রুতি নির্ভর, ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই।
শাসনের নীতি ও বাস্তবতা
শিবাজী সব জায়গায় একই সঙ্গে উপস্থিত হতে পারেন না। কাজেই তাঁর সৈন্যরা অনেক সময় লুট করে আনা সম্পদ সরকারী কোষাগারে হিসেবমতো জমা দিত না। মারাঠা ফৌজ চলে গেলে ছুটকো লুঠেরা আসত। 'পিণ্ডারী'দের অত্যাচার এইরকম মারাঠা ফৌজের 'লজিক্যাল করোলারি'। (পৃষ্ঠাঃ ৪২৩)।
শিবাজী তাঁর সৈন্যদের নিয়মিত লুটপাটের অভ্যেসকে সুরাতের গভর্নরের কাছে 'উচিত' ঠাউরেছিলেন -
"তোমাদের মুঘল সম্রাট আমাদের বাধ্য করেছেন নিজের এলাকায় আত্মরক্ষার জন্য সৈন্যবাহিনী রাখতে। তাহলে তাদের জন্য নাগরিকেরা কর দেবে না?"
আচার্য যদুনাথের ভাষায় - "Such a plea must have been true at the beginning of his career, and in relation to Mughal territories only, but cannot explain his raids into Bijapur and Golkonda, Canara and Tanjore. It fails alltogether as a defence of the foreign policies of the Peshwas." (পৃষ্ঠাঃ ৪২৩)
শিবাজীকে নিয়ে যদুনাথের উপলব্ধি
১) রাজা হওয়ার অভিষেকের পর মাত্র ছ'বছর জীবিত ছিলেন। এর মধ্যেই নিজের অধীন অঞ্চলে প্রজাদের শান্তি ও সুরক্ষা দিতে পেরেছিলেন যা সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রধান কর্তব্য।
২) নারীর সম্মান। সবচেয়ে সুন্দরী বন্দীকেও মাতৃ সম্বোধন করতেন। যুদ্ধবন্দী সাবিত্রী বাঈয়ের অসম্মান করায় নিজের এক সেনাপতির দুই চোখ উপড়ে নিয়েছিলেন।
৩) তাঁর বাহিনীতে অনেক মুসলমান সেনানায়ক ছিল। নিজের ফৌজকে কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন কোনো মুসলিম ধর্মগুরুর আশ্রম লুন্ঠিত না হয়। যুদ্ধে কোনো কোরান পাওয়া গেলে সেগুলো সসম্মানে মুসলমানদের ফেরত দেওয়া হতো। (পৃষ্ঠাঃ ৮১)
শিবাজীর শাসনপদ্ধতি
যদুনাথ বলছেন - শিবাজীর রাষ্ট্রনীতি এবং প্রশাসন পদ্ধতি খুব একটা অভিনব কিছু নয়। (পৃষ্ঠাঃ ৪২৭)
'মনুস্মৃতি' অনুসারে রাজার উচিত শরৎকাল এলে প্রতিবেশি রাজ্য দখল করতে রাজ্যবিস্তারে বেরিয়ে পড়া। পরবর্তীকালে উত্তর এবং দক্ষিণ ভারতের মুসলিম শাসকদেরও অনুরূপ আচরণ করতে দেখা গেছে। কিন্তু এই রাজ্যবিস্তারকে ওরা ধর্মীয় অনুশাসনের নামে ঔচিত্য দিত।
একজন গোঁড়া মুসলিম রাজা তাঁর বিজয়যাত্রার পথে যত মুসলিম রাজ্য পড়বে তাদের ছাড় দেবেন - স্বধর্মীর রক্তে মাটি ভেজাবেন না। কিন্তু শিবাজী এবং তাঁর পরবর্তী পেশোয়ারা কেউই পড়শি হিন্দু বা মুসলমান রাজ্যকে ছাড় দেননি। হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে লুঠ করেছেন।
মুসলিম রাজার পড়শি রাজ্য দখল করে ধর্ম পরিবর্তন করার পর সেটা তাদের সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেত। নাগরিকেরা প্রাথমিক রক্তক্ষয়ের পর শান্তি পেত।
কিন্তু শিবাজীর মারাঠা ফৌজের লক্ষ্য রাজ্যবিস্তার নয়, নিয়মিত লুঠ। তাঁর দরবারের অমাত্যদের দ্বারা লিখিত ইতিহাস - সভাসদ বাখার ২৯ নং. অনুযায়ী শিবাজীর নিজের শব্দতে - "The Maratha forces should feed themselves at the expense of foreign countries for eight months every year, and levy blackmail..." (পৃষ্ঠাঃ ৪২৮)
আচার্য যদুনাথের মূল্যায়ন -
"Thus, Shivaji's power was exactly similar in origin and theory to the power of the Muslim states in India and elsewhere, and he only differed from them in the use of that power. Universal toleration and equal justice and protection were the distinctive features of the permanently occupied portion of the Swaraj, as we have shown elsewhere." (পৃষ্ঠাঃ ৪২৯)
জিজিয়া কর চাপানো নিয়ে শিবাজীর ঔরঙ্গজেবকে লেখা চিঠির অংশ -
"মহামহিম বিবেচনা করে দেখুন, সাম্রাজ্যের ভিত গেড়েছেন জালালুদ্দিন আকবর বাদশাহ। তিনি ৫২ চান্দ্র বছর পর্যন্ত পূর্ণ বিক্রমে রাজত্ব করে গেছেন। তিনি সমস্ত ধার্মিক সম্প্রদায়ের জন্যে - সর্বধর্ম সমন্বয়ের প্রশংসনীয় নীতি গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর উদার-হৃদয়ের লক্ষ্য ছিল সমস্ত মানুষের আদর এবং সুরক্ষা। তাই তিনি 'জগতগুরু' নামে (বিশ্বের আধ্যাত্মিক গুরু) প্রসিদ্ধ হয়েছিলেন।
তারপর সম্রাট জাহাঙ্গীর ২২ বছর, এবং সম্রাট শাহজাহান ৩২ বছর - বিশ্ববাসীর মাথার উপরে ছাতা ধরেছিলেন। তাঁদের শাসনকালে অনেক রাজ্য বশ্যতা স্বীকার করে। এখানে জাঁহাপনা আপনি তাঁদের ঠিকমত অনুসরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাঁদেরও জিজিয়া কর বসানোর ক্ষমতা ছিল, কিন্তু তাঁরা ধার্মিক গোঁড়ামিকে হৃদয়ে স্থান দেননি। কারণ তাঁরা ঈশ্বরের সৃষ্ট সমস্ত মানুষকে, ছোটো বা বড়ো, বৈচিত্র্যময় ধর্মমত এবং রুচির উদাহরণ হিসেবে দেখতেন।" (পৃষ্ঠাঃ ৩৬৮)
"কিন্তু আপনার রাজত্বে অনেকগুলো দূর্গ আপনার হাতছাড়া হয়েছে, আরও হবে। কারণ বাকিগুলো বিধ্বস্ত না করে আমি থামবো না। আপনার কৃষকেরা দারিদ্র্যের শিকার। খাজনা আগের তুলনায় এক-দশমাংশ আদায় হচ্ছে। আপনার রাজত্বে বণিকেরা নালিশ করছে। মুসলিমরা কাঁদছে, হিন্দুরা অত্যাচারিত। অধিকাংশ মানুষ রাত্রে রুটি খেতে পায় না, সকালে উঠে নিজের গালে চড় মারে। এর উপর আপনি জিজিয়া কর চাপিয়ে দিলেন কী ভেবে?" (পৃষ্ঠাঃ ৩৬৯)
"আপনি কি সত্যিই কোরানে আস্থা রাখেন? তাহলে বই খুলে দেখুন - ওখানে সব মানুষের ঈশ্বরের কথা বলা হয়েছে, খালি মুসলমানের ঈশ্বরের নয়। মসজিদের আজান এবং মন্দিরের ঘন্টাধ্বনি - সব একই ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে ধ্বনিত হয়। তাই কোনো এক ধর্মের আচরণকে একমাত্র ভেবে গোঁড়ামি করা মানে পবিত্র কিতাবকে অগ্রাহ্য করা।" (পৃষ্ঠাঃ ৩৭০)
আর জিজিয়া কর রাজনৈতিক চোখে দেখলে অন্যায় এবং ভারতে নতুন আবিষ্কার। যদি মনে করেন ধর্মের খাতিরে প্রজাদের উৎপীড়ন করা এবং হিন্দুদের ভয় দেখানো সঠিক নীতি তাহলে বলব, আগে রাণা রাজসিংহের থেকে জিজিয়া আদায় করুন। তিনিই তো হিন্দুদের প্রধান!
শেষ পাতে
দেখা যাচ্ছে আচার্য যদুনাথের সাক্ষ্য অনুযায়ী শিবাজীর সময়ে একজন 'বিশ্বগুরু' হয়েছিলেন - মোগল সম্রাট আকবর! আর ওই খেতাবটি তাঁকে দিয়েছিলেন হিন্দুকুলতিলক শিবাজী স্বয়ং!